পোস্টগুলি

জুন, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

A complete biography of human life

আমি আজ অব্দি যত লেখা লিখছি তার মধ্যে এই লেখাটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য, আমার ভালো লাগার একটি লেখা, ********** আত্মপরিচয় ************** মানুষ জন্ম নেয়ার পর থেকে শুরু হয় তার পৃথিবীতে পরিচয়। প্রথম কান্না থেকে শুরু হয় জগতের সাথে পরিচয়। এর পর মা বাবার মাধ্যমে সে পরিচিত হতে থাকে আসে পাশের সব মানুষ জন,আত্মীয় স্বজন এর সাথে। স্কুলে প্রবেশের মাধ্যমে শিক্ষা জীবনের মধ্যে মানুষের জীবন নতুন ভাবে পরিচিত হয়, মানুষ তার বুদ্ধি,চিন্তা,জ্ঞান,অনুশীলন,মূল্যবোধ থেকে শিখতে বা জানতে পারে নিজের আত্মপরিচয়। মানুষের জীবনে ১৬-১৭ বছর বয়সে নিজের মধ্যে এই আত্মপরিচয়, নিজের একটা অস্তিত্ব মানুষ তৈরি করতে থাকে। কিন্তু অনেক মানুষ জীবনে সেটা আর ধরে রাখতে পারে না। সে কারণে নিজের প্রতি আস্থা ভরসা মানুষ হারিয়ে ফেলে। মানুষ খুব ভালোবাসার আকাঙ্খা করে জীবনে। কিন্তু নিজেকে মানুষ খুব কম ভালোবাসে। মানুষ নিজেকে এতোই কম ভালোবাসে যে নিজেকে ছোট করে, নিজের সম্মান মর্যাদা ব্যক্তিত্ব কে ছোট করে মানুষ অন্যের কাছে ভালোবাসাটা খুঁজে। পৃথিবীতে মানুষের নিজের জীবনের নিজের অস্তিত্বকে মানুষ নিঃশেষ করে এমন ভাবে, যে কারণে মানুষ তার আত্মপরিচয়টাই হারিয়ে ফেলে।...

ভুল সুধুই ভুল

 ভুলে জন্ম, ভুলে মৃত্যু, আবার এই ভুলেই বসবাস, ভুল মানুষের ছায়ায় করি নিত্য ভুলের চাষ। আমি ভুল প্রতিমার করি পুজা, চলি ভুল ঘরোনির তলে, ভুলের আশায় ভুল হতাশায় ভুলের মিছিলে। ভুলের মাঝেই খুঁজি আলো ভুলে বারে বারে ভুলের ভানে ভুল করে যাই ভুলের খোলোস পরে। আমার ভুলের জীবন যাচ্ছে চলে ভুলেরই মাশুলে, আমার এত ভুলে ভরা জীবনগাড়ী আজো ভুল 🚗মবিলেই চলে।✍️📝🅰️rnab.

🛐ধার্মিক সেজো না, মানুষ হও🕉️

জাপানে রাস্তার মোড়ে মোড়ে কোনো মসজিদ নেই, রাত জেগে ওয়াজ নেই, নসিহত নেই, ধর্মীয় স্কলার নেই, মাজার নেই, ওরশ নেই, পীর নেই, মুরিদ নেই, কুতুব নেই, তাবলীগ নেই, আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি বলেও কোনো বাগাড়ম্বর নেই। এগুলো ছাড়াই জাপান একটা সুশৃঙ্খল জাতি। গত ত্রিশ বছরের মধ্যে কোনো দূর্নীতি নেই, কোনো ঘুষ নেই, কোনো ধর্ষণ নেই, স্কুলে কোনো ছাত্রকে বেত্রাঘাতের রেকর্ড নেই। কোনো কাজের জন্য কোনো ফাইল আটকে পড়ার নজির নেই। কারো সুপারিশ ছাড়া কোনো ছাত্র স্কুলে ভর্তি হতে পারছেনা, কারো প্রমোশন হচ্ছেনা- এমন দৃষ্টান্তও নেই। দলীয় ভাবে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষকের নিয়োগের নজিরও নেই। রাস্তায় পড়ে থাকা বুভুক্ষু মানুষও নেই। আছে শুধু কর্মনিষ্ঠা, শৃঙখলা। ভূমিকম্পের সময় সব খাবার ক্যাম্পে রেখে দেয়া হয়েছিলো। নিজের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কেউ একটা রুটিও নিয়ে যায়নি। ত্রান কেন্দ্রে একজন প্রহরীকেও পাহারাদার রাখতে হয়নি। লাইন দাঁড়িয়ে সবাই যার যার মতো প্রয়োজনীয় খাবার নিয়ে গেছে। লাইন দাঁড়ানো শেষ ছেলেটির হাতে খাবার প্যাকেট দেয়ায় -সে সেই প্যাকেট আবার লাইনের সামনে রেখে এসেছে। যদি তার সামনে দাঁড়ানো কারো খাবার কম পড়ে যায়। জাপানে কোনো কালো...