পোস্টগুলি

ছবি
  বেশ্যা একটি গালি, দেখেন মিলে কি না?? "অবৈধভাবে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে যারা আজ সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত এরাই হলো সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট বেশ্যা। 👩 "কিন্তু বেশ্যা চরিত্রটা কি খুব খারাপ ? অর্থের বিনিময়ে যে নারী দেহ বেচে সে বেশ্যা। অর্থের বিনিময়ে যে নৈতিকতা বেচে সেও বেশ্যা। অর্থের বিনিময়ে যে ফাইলে সই করে সেও বেশ্যা। অর্থের বিনিময়ে যে চাকুরিতে নিয়োগ দেয় সেও বেশ্যা। অর্থের বিনিময়ে যে আসামীকে জামিন দেয় সেও বেশ্যা। অর্থের বিনিময়ে যে দলের পদ বেচে সেও বেশ্যা। অর্থের বিনিময়ে যে নমিনেশন বেচে সেও বেশ্যা। তবে যার বেচার মত অবশিষ্ট আর কিছু থাকেনা সেই নারী শুধু দেহ বেচে। কার কাছে বেচে তার নাম কি???   কবি লিখেছেন:----------                               👩 বেশ্যা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম......... সাধুর নগরে বেশ্যা মরেছে পাপের হয়েছে শেষ, বেশ্যার লাশ হবে না দাফন এইটা সাধুর দেশ। জীবিত বেশ্যা ভোগে তো আচ্ছা, মরিলেই যত দোস? দাফন কাফন হবে ...

গিলগিট বাল্টিস্তানের হুঞ্জা

ছবি
এই উপত্যকাটির নাম হল গিলগিট বাল্টিস্তানের হুঞ্জা। মানুষের গড় বয়স এখানে ১১০ থেকে ১২০ বছর ৷ মেয়েদের ৬৫ বছর বয়স পর্য্ন্ত যুবতী মনে হয়। এরা এই বয়সে অনায়াসে সন্তানধারন করতে পারে। এই উপত্যকাটি সেই জায়গায় যেখানে ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের তিন দেশের সীমান্ত সংযুক্ত হয়েছে। হুঞ্জা উপজাতির জনসংখ্যা প্রায় ৮৭,০০০ ৷ এদের জীবন যাত্রায় আজও আধুনিকতার প্রবেশ বিশেষ ঘটেনি কয়েকশ বছর একই ভাবে চলছে । অনেকে এখানে কেউ কেউ ১৬৫ বছরও বাঁচে। মানুষ এখানে খুব কম অসুস্থ হয়। আজ অব্দি কারো টিউমার হয়েছে বলে কেউ কখনও শোনেনি । এরা বেশী মধু খায়, বরফ ঠান্ডা জলে স্নান করে। নিজেদের উৎপন্ন করা শস্য ও সব্জি খায়। অল্প খায় ও হাঁটে বেশী, দিনে প্রায় ১৫ থেকে ২০ কিমি। যখন হাসে যেন হাসিতে মুক্তো ঝরে পরে । @ অর্ণব_রায় ১৮.০২.২৪ইং

Who is this RAMCHARAN? Possibley the most influential business consultant alive..................

ছবি
           তাঁর নাম রাম চরণ। কে এই লোক? পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের রুমে বিনা এপয়েন্টমেন্টে ঢুকে যেতে পারেন এই লোক। তাতে টেবিলের ওপাশে বসা লোকটি বরং ধন্যই হয়ে যান।  কে এই রাম চরণ? একবার বিখ্যাত ফরচুন ম্যাগাজিনে তার সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছিলো যেখানে বিশাল কলেবরে জোড়া পাতায় একটা আস্ত পৃথিবীর মানচিত্র ছাপিয়ে তার মধ্যে রঙধণুর মতো বাঁকা দাগ কেটে দেখানো হয়েছে গত দুই সপ্তাহ তিনি কোন দিন দুনিয়ার কোথায় কোথায় ছিলেন। ২০০৭ সালের এপ্রিল সংখ্যায় প্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারটির শিরোনাম ছিলো ‘ The Strange Existence of Ram Charan ’. সংখ্যাটি এখনো আমার সংগ্রহে আছে। ভেবেছিলাম পুরো সাক্ষাৎকারটি অনুবাদ করবো কিন্তু করা হয়ে ওঠেনি। আজকে একটা বিশেষ দিন। তাই তাঁর প্রসঙ্গে শুধু মজার মজার কয়েকটা কথা বলবো। যতই বলি ততই কম বলা হবে। যে কথাগুলো শুনে দুনিয়ার তাবত মোটিভেশন স্পিকার আর ম্যানেজমেন্ট গুরুরা অবাক হতে পারেন। কারণ তাদের আওড়ানো তথাকথিত সূত্রগুলো এই মানুষটির ক্ষেত্রে কাজে লাগেনা। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে সেরাদের সেরা একজন ব্যবসাবিষয়ক পরামর্শদাতা – বিজনে...

🥀আমার ছেলেবেলা স্মৃতি সূমহ🥀

স্মৃতির দৌঢ়াত্বে চোঁখ বুঁজে খুজে ফিরি একেকটা ঝাপসা সকাল, ছেলে বেলার রঙিন-সোনালী দিনগুলো, সেই মধুর ক্ষণকাল ৷ সেই নিষ্কলুষ, তৃষিত,নিষ্পাপ খন্ড খন্ড মুহূর্তগুলো ৷ বেলা অবেলায় হারিয়ে যাওয়া দুরন্ত শৈশবের কলতান ৷ সযতনে আগলে রাখা, স্মৃতির বিশাল সম্ভারে কতগুলো নিয়ন আলোর বিচ্ছুরণে বর্ণিল দিনগুলো৷  যখন সতেজতার কোনো কমতি ছিলনা,উৎসাহের কোন শেষ ছিলনা,চঞ্চলতায় কোনো বাধা ছিলনা ৷  কোনো ক্লান্তি নেই,উচ্চাশা নেই ,জীবনের জটিল কোন ক্লাইমেক্স নেই৷ ছিলোনা কোনো কঠিন সমীকরণ কিংবা কৃত্রিম স্বপ্নের হাতছানি ৷ হিংসা, বিতৃষ্ণা কিংবা বিদ্বেষ নামক শব্দগুলো ছিলো অচেনা ৷ সবুজ ঘাসের ডগায় নির্মল বাতাস বইতে বইতে কাঁচা মাটির সোঁদা  গন্ধে মিলেমিশে একাকার হয়ে যেত প্রত্যুষের বেলাগুলি ৷ প্রকৃতির ঐশ্বর্য কুড়াতে  কুড়াতেই  ফেরারী  হয়ে ছুটে  বেড়াতো আমার ছিন্নবাধা মন৷  প্রকৃতির মাঝে এক নিঃশব্দ চঞ্চলতা রয়েছে, সতেজতায় পরিশুদ্ধ এক গতিময়তা রয়েছে৷ দুনিয়ার তাবৎ লেনদেনের সাথে এর কোন যোগসূত্র নাই ৷ মনুষ্য সমাজ থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন হলে,অহেতুক ভাবনার মত কোন অবকাশ পেলেই কেবল প্রকৃতির এই ...

🥀আধুনিক মানুষদের দায় অনেক 🥀

আধুনিক মানুষদের দায় অনেক। তাকে প্রচলিত ধ্যান-ধারণা, আচার-আচরণ, এমন কি সম্পর্ক ও পরিবর্তন করতে হয়। একক সংসার,পুরনো দিনের বহুজনের সংসার এ সব কথা এখন কাজের কথা নয়। কাজের কথা হল, এই মুক্ত পৃথিবীতে একা মানুষ আর একা নেই। একক সংসারের মধ্যে ছোট্ট পৃথিবীর মানুষ এসে ঢুকে পড়েছে। একা মানুষগুলু বহু উদ্দ্যোগের মধ্যে নতুন এক মানব সংসার আবিষ্কার করছে। অবসরপ্রাপ্ত মানুষ পঞ্চাশ বছর আগের মত আর মৃত্যুর জন্য দিন গুনছে না। আগামীকালের কর্মসূচী হাতে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে উঠছে। এই ব্যস্ত মানুষকে আরো ব্যস্ত করে তোলার আয়োজন করবে এই আধুনিক পৃথিবী। তার অনেক কাজ চাই। যন্ত্র তো সব কাজ করে দিলে চলবে না। যে কাজ যন্ত্র করছে, সেটা যন্ত্রের উপর ছেড়ে দিয়ে মানুষ নতুন কাজের সন্ধানে ছুটছে। সমাজকে উন্নত করতে হলে ব্যক্তি মানুষকে স্বার্থক মানুষে পরিণত হতে হবে। মানব উন্নয়নের অর্থ ইকোনমিক গ্রোথ নয়, মানুষের সার্বিক অবস্থার উন্নতি। আমরা এতদিন ধরে নিয়েছিলাম ক্রমবর্ধমান সম্পদ, চারিদিকে বৈভব, মানুষ সভ্যতার স্বরূপ। আজ হঠাৎ অন্য কথা বুঝতে হচ্ছে।  এমন সম্পদ, সার্বিক বৈভবের অর্থ একটাই- “ ক্রমবর্ধমান কনসিউমারিজম (CONSUMERISM), ক্রিমানালাইজে...

আত্মকথন 🤓

 জীবনের অন্যতম অবিশ্বাস্য ঘটনাগুলির বর্ণনা লিখতে গেলে উত্তেজনায় হাত কাঁপে, স্মৃতিগুলু ঝাপসা হয়ে আসে, সমস্ত শরীরমনে এক অনাকাংখিত ভয় এসে ভর করে😰 ....সে সময়ের, সেদিনগুলির সবকিছু অন্যরকমভাবে ঘটলে আজকের দিনটা কেমন হত? মনে হতে থাকে, আজকের এই দিনটা কিছুতেই আজকের মতো হতনা। আমি থাকতাম অন্য এক আমি। আশেপাশের সবকিছুকেই মনে হত অন্যরকমের অন্যকিছু। আসলে আমরা জীবনটা যেভাবে যাবে ভাবি, সেভাবে যায়না। জীবন যায় জীবনের মতোই । জীবনের রঙ কল্পনাতে একভাবে ধরা দেয়, কিন্তু বাস্তবে আসল রঙটা অন্যরকম। জীবনটাকে নিয়ে খেলতে খেলতেই জীবনটা পার করে দেবো, এটা ভাবলেই যে ওরকম ভাবেই জীবনটা কেটে যাবে, তেমনও নয়। কী হবে, কী হবে না, এর সবকিছুই আগে থেকেই ঠিকঠাক করা। .... আমাদের কাজ শুধু এই রঙ্গমঞ্চে নিজের মতো করে চমৎকার অভিনয় করে যাওয়া। যার অভিনয় যত নিপুণ, সে তত ঘনিষ্ঠভাবে জীবনের স্বাদ পায়। ২০১১ সালে আমার জীবনের দো'টানা-পোড়ান শুরু হয়। আমার ইচ্ছে কোনটাই ছাড়বোনা। উভয় দিকটাই বক্ষে বাধব। সবাই বলছিলো হেরে যাব। কিন্তু কে শুনে কার কথা। এক বন্ধুকে ফোন দিলাম “নো-কমেন্ট” বলে ফোনটা রেখে দিলে জেদ আরও চেপে বসলো। আমি ভাবলাম, হেরে যাওয়...

আমরা কি প্রকৃত প্রেমিক হতে পেরেছি?

 বীর্য স্খলনের পর যদি মানুষটাকে অসহ্য লাগা শুরু হয় তাহলে আপনি কামুক প্রকৃতির, এখনো প্রেমিক হয়ে উঠতে পারেননি। প্রেমিক হলে মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বিপরীত মানুষটার নিদ্রা পর্যন্ত অপেক্ষা করতেন। একটা বয়সে এসে আমরা প্রেমের পাশাপাশি শরীরটাকেও ভীষণভাবে প্রত্যাশা করি। আবার একটা সময় শরীরের পাশাপাশি প্রেমটা ও আমাদের খুব প্রয়োজন হয়। নগ্ন দেহে কোন মুগ্ধতা নেই, মুগ্ধতা পাওয়া যায় প্রেমিকের চুলে, কানের দুলে, কাজলের টিপে, চোখের কাজলে। প্রেম মানে তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে ২৫৬🤓বার মরে যাওয়া যায়, তুমি ঘুমাও আমি একটা আস্ত রাত জেগে থেকে তোমায় দেখি। ভালোবাসার জন্য আপনি শরীরকে অস্বীকার করতে পারবেন না, তাহলে শরীরের জন্য কিভাবে ভালোবাসাকে অস্বীকার করতে পারেন। ভালোবাসায় শরীর আসবেই তবে শরীরেও যাতে ভালোবাসা আসে। আমরা হৃদপিন্ডের গভীরতা অনুসন্ধান করতে পারিনি, একটা রাত কাপড় খুলে শুয়ে না থেকে মানুষটার হাত ধরে বসে থেকে দেখুন, দু-চারটে সুখ দুঃখের কথাবার্তা শুনুন, বিপরীত মানুষটাকে একটু সময় দিন। মানুষটার বুকের ভেতর আপনার জন্য একটু মুগ্ধতা আসুক। মুগ্ধতা হীনতায় আক্রান্ত হৃদপিণ্ড একসময় আপনার লং টাইম ডি...